ব্লগ একাত্তর-

কুকুর কামড় দিলে তৎক্ষণাৎ করতে হবে যে কাজ গুলো

কুকুরের কামড়ে প্রাথমিকভাবে কিছু পদক্ষেপ হিতে হয়।এই কাজগুলো করা হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করা ঠেকানো যাবে।

পথে ঘাটে হঠাৎ ঘটে যেতে পারে এমন একটি দুর্ঘটনা হল কুকুরে কামড়ানো।কুকুরের কামড় অনেক বেশি যন্ত্রনাদায়ক এবং মারাত্মক।কুকুরের কামড় থেকে জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে।রেবিস নামক ভাইরাস থেকে জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে।এটি একটি স্নায়ুজনিত রোগ।রেসবস ভাইরাস কুকুরের লালা থেকে ক্ষতস্থানে লেগে যায় এবং সেখানে থেকে স্নায়ুতে পৌঁছে এই রোগ সৃষ্টি হতে পারে।জলাতঙ্ক হলে স্নায়ুতে সমস্যা হয়ে থাকে।যার কারণে মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে।মস্তিষ্কে প্রদাহের সাথে খাদ্যনালীতে তীব্র সংকোচন হতে পারে।এছাড়া রোগী কোন আলো বা শব্দ  সহ্য  করতে পারে না।এই সকল এই সকল লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।তবে কুকুর কামড়ালে প্রাথমিকভাবে  কিছু পদক্ষেপ নিতে হয়।এই কাজগুলো করা হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করা প্রতিরোধ করা সম্ভব ।

১।ক্ষত পরিষ্কার করুণঃ

প্রথমে একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে ক্ষতের স্থানটি চেপে ধরুণ।তারপর কুকুরের কামড় দেওয়া স্থানে বেশি করে সাবান পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।এটি ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু  দূর করে থাকে।তবে ক্ষত পরিষ্কার করার সময় খুব বেশি  ঘষামাজা করবেন না।

২।রক্ত বন্ধ করুণঃ

ক্ষত স্থানে চাপ দিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখুন।এতে রক্ত বন্ধ হয়ে যাবে।

৩।ব্যান্ডেজঃ

ক্ষত স্থানটিতে অয়েন্টমেন্ট ক্রিম লাগিয়ে নিন।তারপর একটি গজ দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে ফেলুন।ক্ষত স্থান খোলা থাকলে এতে বিভিন্ন রোগ জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।

৪।ডাক্তারের কাছে যাওয়াঃ

প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।এবং তার পরামর্শে টিটেনাস ইজেকশন দিতে হবে।কুকুর কামড়ানোর পর অব্যশই টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হবে। কুকুর কামড়ানোর ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই ইনজেকশন দেওয়া উচিত।

সতর্কতাঃ

কুকুরের কামড়ে অনেক সময় রোগী মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন।তাকে অস্থা প্রদান করতে হবে যে সে আবার সুস্থ হয়ে যাবে।

প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অব্যশই রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোষ্টটি এখানেই শেষ করছি।

Advertisements

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.