ব্লগ একাত্তর-

চা পানের উপকারিতাগুলো জেনে নিন। যা আপনার অবশ্যই উপকারে আসবে।

চা এমন এক ধরনের সুস্বাদু পানীয়, যা আমাদের শরীরের ক্লান্তি কমিয়ে একধরনের প্রশান্তি আনতে সাহায্য  করে। আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব চা পানের উপকারীতা।প্রিয় বন্ধুগণ আমি প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু স্থাস্থ্য বিষয়ক পোষ্ট করার চেষ্টা করি। তবে হ্যাঁ আমি যে পোষ্টগুলো করি তা অনেক নামি দামি ওয়েবসাইট থেকে কালেকশন করে সেটাকে সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি। তবে এটাকে কপি/পেষ্ট মনে করবেন না।তাহলে বন্ধুগন আসুন আমরা আর কথা না বাড়িয়ে নিচের থেকে জেনে নেই চা পানের উপকারিতা সম্পর্কে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে চা

বর্তমানে ‘গ্রিন টি’ বা হারবাল চায়ের ওজন কমানোর গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। তবে চিকিৎসকদের মতে চায়ের সাথে দারুচিনি ও মধু  মিশিয়ে খেলে সেটি স্বাদের পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। এছাড়াও পুদিনা চা, লেবু চা, জিরা চা বা সাদা চা খাওয়ার ফলে শরীরে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, যা অতিরিক্ত মেদ কমাতেও সহায়ক।

ত্বকের যত্নে চা

নিয়মিত লেবু চা পান করলে ত্বকে কোলাজেনের মাত্রা বাড়ে। কোলাজেন হলো একধরনের তন্তু জাতীয় প্রোটিন, যা আমাদের ত্বকের কোষগুলোকে সজীব রাখতে সাহায্য করে। পরিমিত কোলাজেনের ফলে ত্বক আরো উজ্জ্বল হয় এবং সহজে শুষ্ক হয়ে যায় না।

হৃদরোগ কমাতে চা

চা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বেশ সহযোগী। লাল চা পান করার ফলে দেহে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয় যা শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত রাখে এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে নিয়মিত লাল চা বা গ্রিন টি পান করে হৃদরোগজনিত কঠিন সমস্যা হতে কিছুটা হলেও দূরে থাকা যায়।

বিষণ্ণতা দূর করতে চা

লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং পটাশিয়াম। ভিটামিন সি মানুষের মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা দূর করতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। মানসিক বিষণ্ণতার কারণে শরীরে ভিটামিন সি’র ঘাটতি দেখা যায়। ফলে লেবু চা পান করে সে ঘাটতির কিছুটা হলেও পূরণ করে শরীর চাঙ্গা করে তোলা যায়।

চা পানে কিছু সাধারণ বিষয়ের প্রতি লক্ষ রাখা উচিত নিম্নে উল্লেখ করা হল:

১. লাল চা বা লেবু চা পান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, দুধ চা শরীরের জন্যে ক্ষতিকর।

২. খালি পেটে চা খাওয়া উচিত নয়, বিশেষ করে ‘বেড টি’ গ্রহণের অভ্যাস থেকে বিরত থাকা উচিত।

৩. অতিরিক্ত সবকিছুই আমাদের শরীরের জন্যে খারাপ। তাই চা এমনভাবে পান করতে হবে, যা আমাদের শরীরের জন্যে ক্ষতির কারণ হয়ে না দাঁড়ায়।

৪. চা এমনভাবে পান করতে হবে, যাতে এটি কোনোভাবেই নেশা বা আসক্তির পর্যায়ে চলে না যায়।

৫. চা পান করার একটু পর দাঁত ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। নয়তো দাঁতের জন্যে ক্ষতির কারণ হতে পারে।

৬. চিনি ছাড়াই চা পান করার অভ্যাস করা উচিত। অতিরিক্ত চিনি শরীরের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকর।

আমার এই পোষ্টটি আপনাদের কেমন লাগল তা জানাবেন। আামার এই পোষ্টটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে আবারও নতুন কিছু নিয়ে আমি হাজির হব। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ্য থাকুন এই কামনা করে আমার এই পোষ্টটি শেষ করছি।

আরও জানুন

Advertisements

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.