Home / আন্তর্জাতিক সংবাদ / দুই দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেন যে খেলোয়াররা।

দুই দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেন যে খেলোয়াররা।

প্রিয় ব্লগ৭১ এর টিউনার এবং পাঠকবৃন্দ কেমন আছেন সবাই? আজকে আপনাদের জন্য দারুন একটি মজাদার পোষ্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকের বিষয়, দুই দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেন যে খেলোয়াররা। তো বন্ধুগণ আসুুুন নিচের থেকে জেনে নেই।

১. ডার্ক ন্যানেস (নেদারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া)

ডার্ক ন্যানেস ১৯৭৬ সালের ১৬ই মে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে জন্মগ্রহণ করেন। প্রায় ৩০ বছর বয়সে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেট ক্লাব ভিক্টোরিয়ার হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেন তিনি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটান নেদারল্যান্ডের হয়ে। নেদারল্যান্ডের হয়ে মাত্র দুটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলার পর অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন ন্যানেস।

ডার্ক ন্যানেস; Source: Zimbio.com

লর্ডসে ২০০৯ সালের ৫ই জুন এবং ৯ই জুন ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডের হয়ে দুটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলে এক উইকেট শিকার করেন। একই বছরের ৩০শে আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট খেলার সুযোগ পান তিনি। ডার্ক ন্যানেস ১৫ ম্যাচে ২৭ উইকেট শিকার করেন।

২. লুক রংকি (অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড)

লুক রংকি নিউ জিল্যান্ডের জন্মগ্রহণ করে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে। তিনি ১৯৮১ সালের ২৩শে এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২০০৮ সালের ২০শে জুন প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলেন। অভিষেক ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২২ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন। রংকি ২০০৮-০৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন ম্যাচে ২৩.৫০ ব্যাটিং গড়ে ৪৭ রান করেন।

লুক রংকি; Source: Foxsports, Timesofoman

প্রায় চার বছর পর ২০১৩ সালের ৬ই নভেম্বর বাংলাদেশের বিপক্ষে নিউ জিল্যান্ডের হয়ে অভিষেক টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলেন রংকি। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে নিজের শুরুটা স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না তিনি। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন। পরবর্তী তিন ম্যাচে লুক রংকির ব্যাটে রানের দেখা মিলেছিল। তিন ম্যাচে যথাক্রমে ৩৪*, ৪৮* এবং ৫১* রান করেন। তিনি নিউ জিল্যান্ডের হয়ে ২৯ ম্যাচে ১৮.৩৫ ব্যাটিং গড়ে ৩১২ রান করেছেন।

৩. বয়েড র‍্যানকিন (আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড)

বয়েড র‍্যানকিন; Source: The42

২০০৯ সালের ৮ই জুন আয়ারল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে বয়েড র‍্যানকিনের। এরপর ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। সেখানেও বেশিদিন থাকেনি। পুনরায় আয়ারল্যান্ডে ফিরে আসেন। ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৩ সালে দুটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচে এক উইকেট শিকার করেন তিনি। বয়েড র‍্যানকিন আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২৪টি ওডিআইতে ২৭ উইকেট শিকার করেছেন।

৪. এড জয়েস (ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড)

১৯৭৮ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন এড জয়েস। তবে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পথচলা শুরু হয় ইংল্যান্ডের হয়ে। ২০০৬ সালে জুনের ১৫ তারিখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে জয়েসের। অভিষেক ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে মাত্র এক রান করে সাজঘরে ফেরেন জয়েস। ইংল্যান্ডের হয়ে এই দুটি টি-টুয়েন্টি খেলেন তিনি।

এড জয়েস; Source: Cricket Australia

২০১২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের হয়ে কেনিয়ার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টিতে অভিষেক ঘটে এড জয়েসের। আয়ারল্যান্ডের হয়ে অভিষেক ম্যাচে ২২ বলে ২৪ রান করেন। এক ম্যাচ পরে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা ৭৮* রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এড জয়েস আয়ারল্যান্ডের হয়ে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ১৬টি টি-টুয়েন্টি ম্যাচে ৩৬.৭২ ব্যাটিং গড়ে ৪০৪ রান করেন।

সবাই ভালো থাকুন। নতুন পোষ্ট নিয়ে আবার আসব।

About Pritom

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *