Home / আন্তর্জাতিক সংবাদ / ধর্ষণের শীর্ষে থাকা যে দেশগুলো।

ধর্ষণের শীর্ষে থাকা যে দেশগুলো।

বিভিন্ন রিপোর্ট থেকে দেখা গেছে, সমগ্র বিশ্বে প্রায় ৩৬% নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আমেরিকা, কানাডা, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত দেশগুলোতে ধর্ষণ ও নারী হেনস্তার ঘটনা অনেক বেশি। চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক ধর্ষণের শীর্ষে থাকা দেশগুলো সম্পর্কে।

দক্ষিণ আফ্রিকাঃ-
শতকরা ৪০ ভাগ নারীই ধর্ষিত হয়। দক্ষিণ আফ্রিকাতে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৫ লক্ষ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে থাকে। পুলিশের কাছে নথিভুক্ত হওয়া অভিযোগ সাপেক্ষে সংখ্যাটি ৫ লক্ষ। কিন্তু দেশটির মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল বলে থাকেন যে দেশটিতে ঘটে যাওয়া প্রতি ৯টি ধর্ষণের কেবলমাত্র ১টি রিপোর্ট করা হয়, বাকিগুলো অপ্রকাশিত থেকে যায় হয়তো লোকলজ্জার ভয়ে।

দেশটিতে যে শুধু নারীরাই ধর্ষিতর শিকার হচ্ছেন, তা কিন্তু নয়। নারী ধর্ষণের সংখ্যাগরিষ্ঠতার পাশাপাশি পুরুষ এবং ১১ বছরের কম বয়সী শিশুরাও যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। গড়ে প্রায় শতকরা ৪ ভাগ পুরুষকে অন্য পুরুষের সাথে যৌন মিলনে বাধ্য করা হচ্ছে এবং শতকরা ১৫ ভাগ ১১ বছরের কম বয়সী শিশুরা যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।

সুইডেনঃ-

এখানে প্রতি ৪ জনে একজন নারী ধর্ষণের শিকার হন। এক রিপোর্টে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে পুলিশের রেকর্ডে ৪২১টি ধর্ষণের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা ২০১৪ সালে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ৬,৬২০টিতে।

যুক্তরাষ্ট্রঃ-

প্রতি ৩ জনে ১ জন নারী ধর্ষিত হন এবং প্রতি বছর প্রায় ২,৯৩,০০০ জন ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকেন। যাদের বেশিরভাগের বয়স ১২ বছর বা তার চেয়ে কিছুটা বেশি।

যুক্তরাজ্যঃ-

যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরে পদার্পণের পূর্বেই প্রতি ৫ জনে ১ জন মেয়ে ধর্ষিত হয়। প্রতি বছর প্রায় ৮৫,০০০ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে থাকে। এর মধ্যে ৭৩,০০০ ঘটনা নারীকেন্দ্রিক এবং ১২,০০০ ঘটনা পুরুষকেন্দ্রিক।

ভারতঃ-
ভারতে ধর্ষণের ঘটনা অনেকটা ভয়াবহ। প্রতি ২০ মিনিটে একজন নারী এখানে ধর্ষিত হন।
ভারতের রাজধানী নিউ দিল্লীতে সবচেয়ে বেশি এই অপরাধ সংঘটিত হয়।

নিউজিল্যান্ডঃ-
প্রতি ২ ঘন্টায় একজন নারী সেক্সুয়াল ভায়োলেন্সের শিকার হয়ে থাকেন এবং এর মধ্যে ৯১% ঘটনার পুলিশি রেকর্ডে নেই। বিভিন্ন জরিপ থেকে দেখা যায়, প্রতি বছর শতকরা ১৫ ভাগ হারে এই অপরাধবেড়ে চলেছে।

কানাডাঃ-
প্রতি ৪ জনে ১ জন নারী এই অপরাধের শিকার হচ্ছেন। বেশিরভাগ যৌন অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে নিজ বাসভবনে এবং অপরাধীর তালিকায় রয়েছে বন্ধু ও পরিবারের সদস্য।

অস্ট্রেলিয়াঃ-
১৮ বছর ও এর অধিক বয়সী মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকে এবং এর সংখ্যা গড়ে প্রায় ৫১,২০০। প্রতি ৬ জনে ১ জন নারী শারীরিকভাবে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে থাকেন।

জিম্বাবুয়েঃ-
প্রতি ৯০ মিনিটে একজন নারী পুরুষের লালসার শিকার হয়ে থাকেন।শিশুরাও ব্যাপকভাবে এই ঘটনার ভুক্তভোগী হয়ে থাকে। পুলিশের নথিভুক্ত ২,৮০৯টির মধ্যে ১০৫৬টি ঘটনার শিকার শিশু।  আরো সুনির্দিষ্টভাবে বললে, ১,০৫৬ জনের মধ্যে ৭৮০ জন ১১-১৬ বছর বয়সী এবং ২৭৬ জন ৫-১০ বছর বয়সী।

About Rony

mm
যা জানি তা জানাতে চাই ☺

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *