ব্লগ একাত্তর-

পৃথিবীকে যেমন দেখায় মহাশূন্য থেকে

মহাশূন্য মহা রহস্যে ঘেরা। তার নিঃসঙ্গ সৌন্দর্য বর্ণনাতীত। কিন্তু রূপ-লাবণ্যের দৌড়ে আমাদের চেনা অচেনা পৃথিবীটাও কম যায় না। মাধ্যাকর্ষণ ছাড়িয়ে একদিন মানুষ জয় করেছে মহাশূন্যকে। মহাশূন্য থেকে পৃথিবীকে একদমই ভিন্নরকম দেখায়। মহাকাশচারীরা সেই প্রথম যাত্রা থেকেই অজস্র ছবি তুলেছেন। তাদের ভেতর থেকে নির্বাচিত কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

ভয়ংকর টর্নেডোর পর ওকাহামা শহরের ফলস-কালার ছবি।

স্পেস স্টেশন থেকে দেখা সূর্যোদয়।

আলাস্কার উপকূলের বরফে মাকড়সার জালের মতো ফাটল।

বেটাউন টেক্স, আমেরিকার সর্ববৃহৎ তেল শোধনাগার। Credit: NASA

স্বপ্নের মতো মেঘেদের রাস্তা। দক্ষিণ পশ্চিম ভ্যাংক্যুবার থেকে তোলা এই ছবির মেঘগুলো কৃত্রিম। Credit: NASA

মরুভূমিতে তুষার। Credit: NASA/Aqua

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ, দেখে মনে হবে কোনো প্রাণীর মুখ। Credit: NASA Earth Observatory/NOAA NGDC

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ধুলোবালি, ধোঁয়া আর অন্যান্য বস্তুচূর্ণের ঘূর্ণন। Credit: William Putman, NASA

উজ্জ্বল গ্রহ, ছবিটা তুলেছিলেন এপোলো ১১ এর মহাকাশচারীরা।Credit: NASA

আমেরিকা শহরের আলো; Credit: NASA

দুটো এলাকাকে আলাদা করেছে পাহাড়। মরুর উষর পরিবেশ; Credit: NASA

মেঘের বাসা, আমাজনের জঙ্গলের উপর মেঘগুলো দাঁড়িয়ে যেন বিশ্রাম নিচ্ছে; Credit: NASA

১৯৯২ এই ঝড়ে বাতাসের গতি এতটাই প্রবল ছিল যে ঝড়ের গতি নির্ধারণকারী যন্ত্রপাতিও নষ্ট করে দিয়েছিল। ক্ষয়ক্ষতি দাড়িয়েছিল ২৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ছবিতে হারিকেন এন্ড্রুর এগিয়ে যাওয়া দেখানো হয়েছে। Credit: NASA

অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের প্রথম খনিজ মানচিত্র। পাথর আর মাটিতে থাকা খনিজ দেখানো হয়েছে; Credit: CSIRO

চারদিকে আছে ব্লক ব্লক মাঠ আর শহর। এই ছবিটি নাসার একটি প্রতিযোগিতায় জেতা শীর্ষ পাঁচ ছবির একটি; Credit: NASA

২০০৫ সালে টেরা স্যাটেলাইট থেকে তোলা এই ছবিতে গ্রিনল্যান্ডের বরফ খণ্ড দেখা যাচ্ছে। নিকটস্থ কোনো হিমবাহ থেকে ভেঙে এসে বরফখণ্ড সাগরে আলোকছটা তৈরি করছে। ছোট ছোট এই বরফগুলো জাহাজের জন্য দুর্যোগ ডেকে আনতে পারে। টাইটানিকের সেই বিখ্যাত বরফখণ্ডটির জন্মও এখানে; Credit: NASA

১৯৮৯ সালে প্রথমবার এই লাল ধোঁয়ার ছবি তোলা সম্ভব হয়। পরে জানা যায় এগুলো একধরনের বৈদ্যুতিক ক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি।

একাকীত্বে ভোগা এক উল্কা ঝরে পড়তে যাচ্ছে পৃথিবীতে।

ফলস-কালারে তোলা ছবিটায় বরফ আর তুষার সবুজাভ, গাছপালা সবুজ, মেঘ সাদা আর হালকা কমলা। সাগর গাড় নীল। ছাইরঙের পাথরের নুড়ি, আর অন্য পাথর বাদামি; Credit: NASA

লং এক্সপোজারে পৃথিবীকে ঘোলাটে করে তারাকে দেখতে চেয়েছিলেন ডন পেটিট; Credit: NASA

পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল শহর সাংহাই।

২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামি ২৩০,০০০ মানুষের জীবন নিয়ে গেলে এর কার্যক্রম প্রসারিত করা হয়; Credit: NOAA

ঘূর্ণিগুলো পূর্ব এন্টার্কটিকার উপকূলের বৈজ্ঞানিক রহস্যের সৃষ্টি করেছিল। সবুজ ঘূর্ণির এটাই প্রথম ছবি।

ছবিটিতে ২০০৫ সালের জুন থেকে ২০০৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত স্রোতের অবস্থা একসাথে দেখা যাচ্ছে। Credit: NASA

বাম দিকে উপরে খেজুরশাখার আদলে করা দ্বীপ, কেন্দ্রের ডানদিকে বেশ উজ্জ্বল বুর্জ খলিফা (৮২৮ মিটার) দেখা যাচ্ছে।

এটা মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো ছবি। ১৯৬২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জন তিনবার পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে আসেন; Credit: NASA, Photograph by John Glenn.

২০১২ সালের জানুয়ারিতে এক ডুবো পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে একদিকে হেলে কিছুটা ডুবে যায়। এতে প্রায় চার হাজার যাত্রী ছিল। নিহত হয়েছিল ৩২ জন। দ্রুছবিটি ২০১২ সালের ১৭ জানুয়ারী তোলা। Credit: DigitalGlobe
Advertisements

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.