ব্লগ একাত্তর-

প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট টুল-Program Development Tools

এ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজে লিখিত প্রোগ্রামকে ডেভেলপ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সাহায্যকারী প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। এসকল সাহায্যকারী প্রোগ্রামকে প্রোগাম ডেভেলপমেন্ট টুল বলা হয়। যেমন- এ্যাসেম্বলার, এডিটর, লিংকার, লোকেটর, ডিবাগার, ইমুলেটর ইত্যাদি। নিচে এদর বর্ণনা দেয় হলো।

১। এ্যাসেম্বলারঃ-

এ্যাসেম্বলারের সাহায্যে এ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ লিখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে বা অবজেক্ট কোডে রুপান্তর করা হয়। অবজেক্ট কোডকে বা বাইনারি কোডকে OBJ এক্সটেনশন যুক্ত ফাইলে সংরক্ষণ করা হয়। এই ফাইলকে অবজেক্ট ফাইল বলা হয়।অবজেক্ট ফাইল ছাড়াও এ্যাসেম্বলারের সাহায্যে প্রোগ্রামের লিষ্ট ফাইল তৈরী করা হয়। এই ফাইলে .LST এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়। লিষ্ট ফাইলে প্রোগ্রামের এ্যাসেম্বলি কোড এবং মেশিন কোড থাকে।

এ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজের প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রুপান্তর করার জন্য বিভিন্ন ধরনের এ্যাসেম্বলারের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হলো।

ক) ওয়ান-পাস এ্যাসেম্বলারঃ

ওয়ান পাস এ্যাসেম্বলার হলো প্রথম দিকের এ্যাসেম্বলার। এই এ্যাসেম্বলারের মধ্যে অনেক ত্রুটি বিদ্যমান। এজন্য খুব কম সিস্টেমে এ ধরনের এ্যাসেম্বলার ব্যবহৃত হয়। ওয়ান-পাস এ্যাসেম্বলারে সোর্স কোডকে ১ বারে প্রাসেস করা হয়।

খ) টু-পাস এ্যাসেম্বলারঃ

টু-পাস এ্যাসেম্বলার খুব জনপ্রিয় এ্যাসেম্বলার। এ ধরনের এ্যাসেম্বলারে সোর্স কোডকে ২বার নিরীক্ষা করা হয়। প্রথমবার প্রত্যেকটি লেবেলের জন্য এ্যাড্রেস এ্যাসাইন করা হয়। দ্বিতীয়বার সোর্স কোডের জন্য মেশিন কোড উৎপন্ন করা হয়।

গ) ম্যাক্রো এ্যাসেম্বলারঃ

ম্যাক্রো এ্যাসেম্বলার হলো টু-পাস ধরনের এ্যাসেম্বলার। মাইক্রো এ্যাসেম্বলার দিয়ে ম্যাক্রোর মাধ্যমে লিখা সোর্স কোডকে মেশিন কোডে রুপান্তর করা যায়।মাক্রো হলো কিছু ইন্সট্রাকশনের একটি সিকোয়েন্স। প্রত্যেকটি ম্যাক্রোর জন্য একটি নাম দিতে হয়।

ঘ) মেটা এ্যাসেম্বলারঃ

মেটা এ্যাসেম্বলার খুব শক্তিশালী এ্যাসেম্বলার। তাই এ্যাসেম্বলারের সাহায্যে বিভিন্ন মাইক্রোপ্রসেসরের জন্য লিখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রুপান্তর করা যায়।

২। লিংকারঃ

সাধারণতঃ একটি বড় প্রোগ্রামকে ছোট ছোট প্রোগ্রাম মডিউলে লিখা হয়। ছোট ছোট মডিউলগুলোকে আলাদা আলাদাভাবে লিখা হয়, পরীক্ষা করা হয় এবং ডিবাগিং করা হয়। ফলে প্রত্যেকটি মডিউলের জন্য আলাদা আলাদা অবজেক্ট ফাইল উৎপন্ন হয়। লিংকারের সাহয্যে একাধিক অবজ্টে ফাইলকে একটি বড় অবজেক্ট ফাইলে সাংযুক্ত করা হয়। এছাড়া লিংকারের সাহায্যে অবজেক্ট ফাইলের ‘‘লিংক ম্যাপ” ফাইল তৈরী করা হয়। লিংক ম্যাপ ফাইলের মধ্যে অবজেক্ট ফাইল সম্পর্কিত এ্যাড্রেস ইনফমেশন থাকে।

৪। লোকেটরঃ

মেমোরীর কোন লোকেশন হতে বাইনারি কোডের সেগমেন্ট লোড হবে তা লোকেটরের সাহায্যে এ্যাসাইন করা হয়।

৫। ডিবাগারঃ

প্রোগ্রামকে পরীক্ষা করার জন্য এবং ডিবাগ করার জন্য ডিবাগার ব্যবহৃত হয়। ডিবাগরের সাহায্যে প্রোগ্রাম চলার পর রেজিষ্টার এবং মেমোরী কন্টেন্টকে দেখা যায়। এছাড়াও ডিবাগের সাহায্যে রেজিষ্টার এবং মেমোরী কন্টেন্টকে পরিবর্তন করা যায়। কিছু কিছ ডিবাগরের সাহায্যে একেকটি ইন্সট্রাকশন নির্বাহের পর মেমোরী এবং রেজিষ্টারের কন্টেন্ট পযবেক্ষন করা যায়।

৬। ইমুলেটরঃ

ইমুলেটর হলো হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সংমিশ্রন। এর সাহায্যে সাধারনতঃ কোন বহি:স্থ সিস্টেমের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারকে পরীক্ষা ও ডিবাগ করা হয়। যেমন, মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক কোন ইন্সট্রমেন্টকে পরীক্ষা ও ডিবাগ করার জন্য ইমুলেটর ব্যবহৃত হতে পারে। ডিবাগারের মতই ইমুলেটরের সাহায্যে প্রোগ্রামকে লোড করে রান করা যায়। এবং পরীক্ষা করার পর রেজিষ্টার ও মেমোরীর কন্টেন্টকে পরিবর্তন করা যায়। এছাড়াও ইমুলেটরের সাহায্যে একেকটি ইন্সট্রাকশন নির্বাহ হবার পর এ্যাড্রেস বাসের অবস্থা, ডাটা বাসের অবস্থ্যা, রেজিষ্টারের কন্টেন্ট এবং ফ্লাগসমূহরে অবস্থা পযবেক্ষন করা যায়।

Pc Software

Advertisements
mm

Rony

যা জানি তা জানাতে চাই ☺

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.