ব্লগ একাত্তর-

বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি উঠল ফ্রান্সের হাতে।

১৯৯৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের হারের প্রতিশোধও নেওয়া হলো না ক্রোয়েশিয়ার। রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে আগামী চার বছরের জন্য ফুটবল সাম্রাজ্যের সিংহাসন দখল করে নিলো ফ্রান্স।

১১ মিনিটে প্রথম আক্রমণটি করে ক্রোয়েশিয়া। বেশ দূর থেকেই ইভান পেরিসিচের উদ্দেশে বল পাঠান ইভান রাকিটিচ।

প্রথম ১৫ মিনিট বলা যায় ক্রোয়েশিয়াই শাসন করেছে। কিন্তু আসল কাজটি করে প্রথমে এগিয়ে গেছে ফ্রান্সই। ১৮ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে অ্যান্তনিও গ্রিজম্যানকে ফেলে দেন ব্রোজোভিচ। এই ফাউলেই নিজেদের বিপদ ডেকে আনেন ক্রোয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার। দারুণ সেট পিস করেন গ্রিজম্যান। ফরাসি ফরোয়ার্ডের সেট পিস থেকে দলকে বাঁচাতে গিয়ে উল্টো নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন মারিও মানজুকিচ। এটাই বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসের একমাত্র আত্মঘাতী গোল।

আগের ম্যাচেও দারুণ খেলা পেরসিচ। বা পায়ের দারুণ শটে গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে সমতায় ফেরান তিনি।

রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফিতে চুমু বসিয়ে দিলেন ফ্রান্সের সোনালি প্রজন্মের যোদ্ধা এমবাপ্পে, গ্রিজম্যান, পগবারা।

৩-১ গোলে পিছিয়ে পড়া ক্রোয়েশিয়া তালগোল পাকিয়ে ফেলে। ৬৫ মিনিটে যেটার সুযোগ ভালোভাবে কাজে লাগান ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে। ডি বক্সের বাইরে থেকেই চোখ ধাঁধানো শটে গেল করে ফ্রান্সকে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর হয়ে ক্লাব ফুটবল খেলা তরুণ এই স্ট্রাইকার। তখনই হয়তো হার দেখতে পাচ্ছিল ক্রোয়েশিয়া।

৬৯ মিনিটে সেই সুযোগ পেয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। ফ্রান্সের গোলরক্ষক হুগো লরিসের ভুলকে কাজে লাগিয়ে গোল আদায় করে নেন মানজুকিচ। কিন্তু ২ গোলের ব্যবধান থেকেই যায়।

Advertisements
mm

Rony

যা জানি তা জানাতে চাই ☺

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.