ব্লগ একাত্তর-

ষ্টিফেন হকিং মৃত্যুবরণ করেছেন আজ

১৯৭০ সালে তিনি কোয়ানটাম থিওরী ও রিলেটিবিলিটির সাহায্য ব্ল্যাক-হোলের রেডিয়েশন সম্পরকে ধারণা দেন বিশ্বকে। ১৯৭৩ সালে তিনি থিওরিটিক্যাল ফিজিক্স ও এপ্লাইড মেথামেটিকস’এর শিক্ষক হিসেবে কেমব্রীজে যোগদান করেন।

(জানু-১৯৪২-মার্চ-২০১৮); তিনি ৭৬ বছর বেঁচেছিলেন। ২২ বছর বয়সে তিনি মটর নিউরণ রোগে অসুস্হ হন; এই রোগ উনার পুরো শরীর অবশ করে ফেলে; তিনি কম্প্যুটার সিনথেসাইজারের সাহায্য কথা বলতেন। উনার রোগ ধরা পড়ার পর, ডাক্তারেরা ভেবেছিলেন যে, তিন সামান্য সময় বেঁচে থাকবেন।

তাঁর বেঁচে থাকার প্রচেষ্টা ও বিশ্বকে জানার স্পৃহা তাঁকে মোটামুটি দীর্ঘ জীবন দিয়েছে; তিনি সময়টুকু খুবই পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগায়েছেন।

১৯৬৬ সালে ষ্টিফেন এপ্লাইড মেথামেটিকস ও থিওরিটিক্যাল ফিজিক্সে গবেষণা করে পিএইচডি লাভ করেন। তিনি মৃত্যুর সময় অবধি কেমব্রীজ ইউনিভার্সিটির এপ্লাইড মেথামেটিকস ও থিওরিটিক্যাল ফিজিক্স গবেষণাগারের ডিরেক্টর ছিলেন।

২০১০ সালে, উনার সবচেয়ে জনপ্রিয় বই “দি গ্রান্ড ডিজাইন” প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন, যে মহাবিশ্বে আমাদের মত বা তার চেয়ে উন্নত সভ্যতা থাকার সম্ভাবনা আছে।

১৯৮৮ সালে “এ ব্রীফ হিসটোরি অব টাইম” নামে কসমোলোজী ও ব্ল্যাক-হোল গবেষণার উপর বই প্রকাশ করেন। ২০০১ সালে তিনি ইউনিভার্স ইন এ নাটশেল নামে আরেকটি পুস্তিকা লিখেন; উনার বইয়ের সংখ্যা ১০টি যথাসম্ভব।

Advertisements

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.