ব্লগ একাত্তর-

স্মার্টফোনের চার্জ বেশিক্ষণ ধরে রাখার কৌশল

বর্তমান এমন একটি সময় চলছে, স্মার্টফোন ছাড়া চলেই না। এখন অফিস/আদালত, ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার, ইমেইল পাঠানো, ইন্টারনেটে ছবি পাঠানো ইত্যাদি কাজে এখন স্মার্টফোন ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বড় সমস্যা হচ্ছে, চার্জ বিরম্বনা নিয়ে। যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের কাছে জিজ্ঞাস করলে পাওয়া যায় একই প্রশ্ন- চার্জ থাকে না। আমি আপনাদের জন্য একটি ট্রিকস নিয়ে হাজির হয়েছি যার মাধ্যমে আপনি আপনার স্মার্টফোনের চার্জ ধরে রাখাতে পারবেন।

স্মার্টফোনের চার্জ বেশিক্ষণ ধরে রাখার কৌশল

১. বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, স্মার্টফোনগুলোতে ব্লুটুথ, ওয়াইফাই, হটস্পট ইত্যাদি চালু থাকে।এগুলো যদি খোলা থাকে তাহলে বন্ধ করে রাখবেন। এইগুলো খোলা থাকলে দ্রুত চার্জ চলে যায়। আর সবথেকে বড় সমস্যা হয়- ব্যাটারীর আয়ু কমে যায়।তাই এগুলো লক্ষ রাখতে হবে।

২. স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেভার মোড চালু করে রাখুন। সেভারমোড চালু থাকলে চার্জ কমে আসলেও সেটা নিয়ন্ত্রণ থাকে। অনেক স্মার্টফোনগুলোতে সেভার মোড থাকে না সেই ক্ষেত্রে, সেভার মোড অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন। সেভার মোড চালু থাকলে ব্যাটারী দীর্ঘায়ু হয়।

৩. একটি বিষয় লক্ষ করলে বোঝা যায় যে, অনেক স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা তারা ব্রাইটনেস বাড়িয়ে রাখেন। স্মার্টফোনের ব্রাইটনেস বাড়িয়ে রাখার কারনে দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যায়।তাই একটি কথা বলে রাখি স্মার্টফোনে সবসময় ব্রাইটনেস অটো করে রাখবেন যাতে করে, ফোনটি তার ইচ্ছা মত ব্রাইটসেন বাড়ানো এবং কমানো স্মার্টফোন নিজেই করতে পারে। এতে আপনার ফোনটির চার্জ বেশি সময় ধরে রাখবে।

৪. যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই ফেসবুকও ব্যবহার করেন। এথন কথা হচ্ছে, স্মার্টফোনটি ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারটি ব্যবহার না করাটাই ভালো। এই ফেসবুক অ্যাপসটি কিছুদিন পরপর আপডেট চেয়ে থাকে ফলে আমার ইন্টারনেটের ডেটাও বেশি খরচ হয় এবং পাশাপাশি চার্জও বেশি খরচ হয়। তাই একটি কথা বলব সেটি হলো, ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্রাউজার ব্যবহার করুন। এতে করে আপনার ফোনের চার্জও খরচ কম হবে।

৫. লোকেশন ট্রাকিং করার জন্য গুগল ম্যাপ বা অন্য যে কোন অ্যাপস ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করেন অবস্থান জানার জন্য। এই অ্যপসটি চালু থাকলে আপনার স্মার্টফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। তাই এটি Operating System গিয়ে লোকেশন ট্র্যাকিং বন্ধ করা যায়।

৬. বেশিভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ব্যবহার করে থাকেন। আসলে এগুলো অতিরিক্ত চার্জ খেয়ে থাকে। তাই আপনার স্মার্টফোন থেকে এইগুলো রিমুভ করে দিন।

৭. স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় সাদমাঠা ইমেজ ব্যবহার করবেন। স্মার্টফোনে কখনও লাইভ ওয়ালপেপার সেটাপ করবেন না।

পোষ্টটি আপনাদের কেমন লাগল অবশ্যই জানাবেন।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।

Advertisements
mm

Rony

যা জানি তা জানাতে চাই ☺

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.