ব্লগ একাত্তর-

স্মার্টফোন ব্যবহারের কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা

স্মার্টফোন মানুষের যেমন উপাকার হয়েছে ঠিক তেমনি অপকারও হয়েছে। একটু চিন্তা করুন আজ থেকে ১০ বছর আগের কথা তাহলেই বুঝতে পারবেন এই ১০ বছরে কতটা পরিবর্তন এনেছে এই স্মার্টফোন। এখন স্মার্টফোন সবার হাতে আছে বললেই চলে। স্মার্টফোন আমাদের নানা কাজে ব্যবহার হয়। তবে এই ব্যবহার ভালো কাজেও হয় আবার মন্দ কাজেও হয়। আমি আজকে আপানদের মাঝে এই দু’টি বিষয় নিয়েই আলোচনা করব। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

উপকারীতা-

স্মার্টফোনের উপকারীতা বলেও শেষ করা যাবে না। তবে যতটুকু সম্ভব ততটুকুই আপনাদের মাঝে আলোচনা করছি। স্মার্টফোন আমাদের কাজের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা এনে দিয়েছে। এখন অফিসের কাজ অনেকটাই পথে/ঘাটে বা বাসায় বসে করা যায়। অফিসের যে কোন ইমেইল, বা ব্রাউজিং কাজে স্মার্টফোনের কোন তুলনা হয়না। স্মার্টফোনকে মিনি কম্পিউটারও বলা চলে। এখন স্মার্টফোনে অনেক উপকারী অ্যাপস পাওয়া যায় যা দারুন উপকারে আসছে। যেমন যারা ভ্রমন প্রিয়াসী তারা যদি একটি ভ্রমন বিষয়ক অ্যাপস স্মার্টফোনে ডাউনলোড করে নেয় তাহলে ভ্রমন করতেও অনেক মজা পাবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে স্মার্টফোন অনেক কাজে আসে। স্মার্টফোন ব্যবহার করে এখন লাইভ স্কুল চালাচ্ছে। আবার যে কোন সিলেবাস বা প্রয়োজনীয় বই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে পড়তে পরছে। স্মার্টফোনের একটি বড় সুবিধা হচ্ছে, যে কারও সাথে লাইভ ভিডিও কল করা যায় এবং চেটিং করা যায। বর্তমানে এখন অনেক ধরনের সৌশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে যার মাধ্যমে ভিডিও কল এবং অডিও কল করা সম্ভব। বিভিন্ন সৌশাল নেটওয়্যার্কে মধ্যে রয়েছে, ফেসবুক, টুইটার, ইমো ইত্যাদি। স্মার্টফোন এর মাধ্যমে এখন অনেক ধরনের সিনেমা, গান ইত্যাদি সরাসরি দেখা এবং ডাউনলোড করা যায়। স্মার্টফোনের আরও কিছু গুণ রয়েছে, যেমন অবসর সময়ে একটু ভিডিও গেমস লেখা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা ইত্যাদি।

অপকারীতা-

এতক্ষন জানালাম স্মার্টফোনের উপকারীতা এখন জানবো এর কিছু অপকারীতা। স্মার্টফোন এখন সবার হাতে এসেগেছে। ছোট বাচ্চাদের থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সকলের হাতে এখন স্মার্টফোন। অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে আমদের চোখে নানান ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। স্কুল পড়ুয়া ছাত্রদের হাতে স্মার্টফোন থাকাতে তারা সারাদিন ইন্টারনেট, ফেসবুক, ভিডিও গেমস ইত্যাদি ব্যবহার করছে। শুরু এগুলোই না তারা নিষিদ্ধ ছবিও ইন্টারনেটর মাধ্যমে স্মার্টফোনে দেখছে। এই সকল ভিডিও দেখার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে, সমাজ ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে ছেলে/মেয়ের। স্মার্টফোন হাতে থাকা মানে ইন্টারনেট দেখা, আর এই ইন্টারনেট প্রচুর পরিমান খরচ করছে টাকা। এতে করে অনেকটাই আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে বাবা/মা। এখন স্মার্টফোনের দৌলতে পরিক্রিয়া প্রেম দেখা দিচ্ছে। আর এই পরক্রিয়া প্রেমের কারনে অনেক সংসার ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে। ইদানিং কিছু ছাত্র বা ছাত্রীরা রাত জেগে ফেসবুক ব্যবহার করছে, এতে করে পড়াশুনা কত যে ক্ষাতিগ্রস্থ্য হচ্ছে তারা নিজেরাও জানেনা।

কিছুটা ধারনা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। পোষ্টটি আপনাদের কেমন লাগল তা অবশ্যই জানাবেন। তাহলে সবাই ভারো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন এই কামনাই আমার ব্লগ একত্তরের পোষ্টটি শেষ করছি।

Advertisements
mm

Rony

যা জানি তা জানাতে চাই ☺

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.