Blog71

কেন খাবেন খেজুর ? জানাটা খুব প্রয়োজন।

খেজুরের গাছ কবে প্রথম বেড়ে উঠেছিল সেটা জানাও মানুষের পক্ষে এখন সম্ভব হয়নি। খেজুর গাছ এবং খেজুর সম্পর্কিত হওয়ার কারণে গাছের খোঁজ পাওয়া গেলেই সেই সময়ে খেজুর ছিল তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। খেজুর গাছের সবচাইতে প্রাচীন ফসিলটির বয়স প্রায় ৫০ মিলিয়ন বছর। মরুভূমির দেশের ফল হিসেবে সবার কাছেই একটু অন্যরকম প্রাধান্য পায় খেজুর। মধ্যপ্রাচ্য এবং সিন্ধু উপত্যকায় খেজুর ছিল হাজার বছর পুরনো কোনো ফল। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুসারে, সর্বপ্রথম খেজুর গাছ ইরাকের আশেপাশে কোথাও জন্ম হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। তবে এটা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

আপেলের উপকারীতা বিস্তারিত জানুন

একটি খেজুর খেয়ে এক গ্লাস পানি পান করলেই পেট ভরে যাবে। বাংলাদেশী মুসলিমদের কাছে খেজুর অনেকটা ধর্মের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে মিশে থাকা এক ফলের নাম। খেজুর গাছ (Phoenix dactylifera) সাধারণত ২৫ মিটারের মতো উচ্চতাসম্পন।১৮-১৯ শতকের দিকে খেজুর পরিচিত হয় বাইরের দুনিয়ার সাথে। একটি খেজুর গাছ প্রায় ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার ক্ষমতা রাখে। অনেক আগে থেকেই উত্তর আফ্রিকার মতো স্থানগুলোতে মানুষের দৈনন্দিন খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

কফির উপকারীতা জানুন-

পুষ্টি কতখানি আছে ফলটির? চলুন না জেনে আসি, খেজুর কেন খাবেন?

১) সকল প্রোটিনের উৎস-

নিজের শরীরের পেশীগুলোকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তুলতে চাইলে, দিনে কয়েকটি খেজুর আপনার খাবারের তালিকায় জায়গা করে নিতেই পারে। খেজুর প্রটিনের বেশ ভালো উৎস।

২) এতে প্রচুর ভিটামিন-

ভিটামিনগুলোর মধ্যে আছে বি১, বি২, বি৩, বি৫, এ১ এবং সি। আরও আছে গ্লুকোজ, সুক্রোজ ইত্যাদি। ফলে আপনার শরীর সবসময়েই থাকবে সুস্থ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন থাকে।

৩) কোলেস্টেরল নেই-

খেজুরে ফ্যাটের পরিমাণও অনেক কম।খেজুরে কোনোরকম কোলেস্টেরল নেই। এটি খেলে আপনার ওজন মোটেই বাড়বে না।ডায়েটের ক্ষেত্রেও এই একটি ফল বেশ ভালো উপকার। আপনি ইচ্ছেমতো খেজুর খেতে পারেন।

৫) দাঁত এবং ত্বকের সুরক্ষা-

ত্বকের সুরক্ষায় খেজুর খুব কার্য্যকরি ভূমিকা রাখে। দাঁতের জন্য খেজুর অসম্ভব ভালো। ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ডি রয়েছে।

৬) প্রয়োজনীয় সকল উপাদান-

খনিজ, চিনি, আঁশ আর নানা রকম ভিটামিনে ভর্তি থাকে প্রতিটি খেজুর। খেজুর আপনাকে কেবল শারীরিকভাবেই ভালো রাখবে না, সেইসাথে আপনি হয়ে উঠবেন মানসিকভাবেও সুস্থ। এতে থাকে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক এবং আরো অনেক উপাদান।

৭) হজম হতে সাহায্য করে-

দুইটা খেজুর খেয়ে নিন হজমের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে ওজনকেও বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

৮) হাড়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে-

খেজুরে ম্যাগনেসিয়াম, কপার, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি থাকার কারণে শরীরের হাড়কে ঠিক রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৯) আঁশ

খেজুরে আঁশ অনেক পরিমাণে থাকে। কাপের এক-চতুর্থাংশ খেজুরে ২.৭ গ্রাম খেজুর থাকে।পুরুষের ক্ষেত্রে সেটি ২০-৩০ গ্রাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে সেটা আর একটু কম।

১০) অতিরিক্ত ক্যালোরি-

খেজুরে মোট ১১ ক্যালোরি পাওয়া যায়।কাপের এক-চতুর্থাংশ জুড়ে থাকা খেজুরে মোট ১১ ক্যালোরি পাওয়া যায়।

গ্রীণ টি পানের উপকারীতা-

খাদ্যাভ্যাসে প্রবেশ করাতে পারেন সহজেই। তাহলে বন্ধুগণ কেমন লাগল আমার এই পোষ্টটি।

সবাই ভালো থাকুন।

Advertisements

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.