ব্লগ একাত্তর-

মোবাইল ফোন যে ৭টি জায়গায় রাখবেন না।

স্মার্টফোনের যুগে এখন প্রায় মানুষই এখন এই ফোন ব্যবহার করছে। বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয় ইন্টারটের এর জন্য। স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা এমই একটি নেশা যে, সব সময় হাতে স্মার্টফোন রাখতে ইচ্ছে করে। সত্যি বলতে কি, এমনও লোক রয়েছেন যে, বাথরুম বা টয়লেটে বসেও ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। আমাদের আসল কথা কিন্তু ইন্টারনেট না? আমাদের মুল বিষয় মোবাইল ফোন যে ৭টি জায়গায় রাখবেন না। তাহলে চলুন, শুরু করা যাক।

১. জিন্স প্যান্টের পকেটেঃ-

বেশির ভাগ পুরুষেরা জিন্স প্যান্টের পকেটে স্মার্টফোন রাখে। অথচ এটি হলো সব থেকে খারাপ জায়গা স্মার্টফোন রাখার জন্য। ফোনে ওয়াইফাই কানেক্ট রেখে যদি জিন্স এর পকেটে রাখা যায় তাহলে পকেটের মধ্যে রেডিয়েশনের সৃষ্টি বেশি পরিমান হবে এবং খুব ক্ষতি কর হতে পারে। প্যান্টের পকেটে ফোন রাখলে পুরুষদের যৌন ক্ষমতা হ্রাস পায়। তাছাড়া টিউমার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এখন বলতে পারেন তাহলে কোথায় রাখব স্মার্টফোন? স্মার্টফোন হাতে রাখার চেষ্ট করুন। আর হোলস্টারে ফোন রাখতে পারেন, ব্যাগে রাখতে পারেন, পার্সে রাখতে পারেন।

২. বালিশের নিচেঃ-

আমরা সারাদিন যাই করিনা কেন, রাত্রে স্মার্টফোন ব্যবহার করবাই! কারণ রাত্রে স্মার্টফোন ব্যবহার করাটা খুব নেশা। এমনও লোক রয়েছে যারা, গভির রাত্রি পর‌্যন্ত ফেসবুক ব্যবহার করেন এবং হঠাৎ করে ঘুমিয়ে পরে এটি যে, কি পরিমান ক্ষতি হয় যা কল্পনাও করা সম্ভব না। বালিশের নিচে ফোন রেখে ঘুমাবেন না, বালিশের নিচে ফোন রেখে ঘুমালে ফোন গরম হয়ে যায় এবং আগুনে ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আগুন ধরে যাওয়ার কথা নয় পরে আসি, কিন্তু রেডিয়েশন তো আছে। সবাই জানে রেডিয়েশন কত কত পরিমাণ ক্ষতি করে।

৩. ব্রায়ের ভেতরেঃ-

স্মার্টফোন ফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে নারীরাও পিছিয়ে না। অনেক নারীরা রয়েছেন যারা ব্রায়ের ভেতরে ফোন রেখে দেয়। এতে করে ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। আর রেডিয়েশন ক্রমেই বাড়াতে থাকার কারণে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁজি বেড়ে যায়।

৪. বেশি সময় ধরে চার্জে লাগিয়ে রাখাঃ

১০০% চার্জ হয়ে যাওয়ার পরও চার্জ দেয়া ঠিক না। ব্যাটারি ফুল চার্জ হয়ে যাওয়ারপরও যদি চার্জে বসিয়ে রাখানে তাহলে তখন অতিরিক্ত চার্জের কারণে ব্যাটারী বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বেশি সময় ধরে চার্জে লগিয়ে রাখবেন না।

৫. মুখের কাছে ফোন রাখাঃ

মুখের কাছে ফোন রাখা ত্বকের জন্য খুব ক্ষতি। মুখের কাছে ফোন রাখাতে ঘামের সৃষ্টি হয় ও জীবাণু ফোনে লেগে যায়। এর ফলে ত্বকে জ্বালাপোড়, ব্রণ বলিরেখার মতো নানান রোগের সৃষ্টি হয়। তবে হ্যাঁ একটি কাজ করতে পারেন, সেটি হচ্ছে ইয়ারফোন লাগিয়ে কথা বলতে পারেন। অনেক লোক রয়েছেন যারা অনেক কথা বলেন তারা ইয়ারফোন ব্যবহার ব্যবহার করে কথা বলতে পারেন।

৬. বাথরুমে ব্যবহারঃ

কি বলব, স্মার্টফোন ব্যবহার করাটা এমন একটি নেশায় রুপান্তর হয়েছে যে, বাথরুমেও ফোন ব্যবহার করেন। বিশেষ করে ফেসবুক চালনার ক্ষেত্রে বাথরুমটা অনেক জনপ্রিয়। যখন পানি খরচের সময় হয় তখন ফোনটাকে কমোডের পাশে রেখে ফ্লাশ করেন। ফ্লাসের করণে প্রচুর পরিমান ব্যাকটেরিয়া ফোনে আক্রান্ত হয়ে যায় যা মানুষের দেহে সেই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে।

৭. গাড়ির ভেতরেঃ

গরমের সময় কম্পার্টমেন্টে ফোন রাখা উচিত না। এতে করে ফোন গরম হয়ে ব্যাটারি লিকেজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থেকে যায়। আবার অতিরিক্ত ঠান্ড আবহাওয়ায় স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যায়। এত করে ফোনের ব্যাটারীর আয়ু কমে যায়, ডিসপ্লে নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

তাই সর্বশেষ একটি কথা না বললেই না, উপরের যে সকল বিষয়ে নিষেধ করা হয়েছে সেগুলো কখনই করবেন না।

তাহলে প্রিয় ব্লগ একাত্তরের ভিজটর এবং টিউনারগণ আমার এই পোষ্টটি যদি আপনাদের কারও ভালো লেগে থাকে তাহলে আমার লেখাটি সার্থক হবে। আরও নতুন নতুন কিছু জানতে এবং জানাতে নিয়োমিত ভিজিট করুন এবং আমার আইডিয়াকে শেয়ার করুন ব্লগ একাত্তরে। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার পোষ্টটি শেষ করছি।

আরও জানুন—–

Advertisements
mm

Rony

যা জানি তা জানাতে চাই ☺

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.