ব্লগ একাত্তর-

হেডফোনে ব্যবহারে ক্ষতি কম হবে যেভাবে।

হেডফোন ব্যবহার করার নিয়োম নিয়ে আজকে আমার পোষ্ট। প্রিয় ব্লগ৭১ এর এর টিউনার এবং ভিজিটরগণ চলুন দেখে নেই, হেডফোন ব্যবহারে কিভাবে কম ক্ষতি হয়।

যে প্রতিষ্ঠানের মোবাইল ব্যবহার করছেন, ঠিক সেই প্রতিষ্ঠানের, সেই মডেলটির ইয়ারফোনই ব্যবহার করুন। প্রতিটি মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানই তাদের নির্দিষ্ট মোবাইল ফোনের জন্য নির্দিষ্ট ইয়ারফোন তৈরি করে। ফোন থেকে বের হওয়া রশ্মির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গের কম্পন ইত্যাদির উপর নির্ভর করেই ইয়ারফোনের তরঙ্গ, ক্ষমতা ইত্যাদি ঠিক করা হয়। তাই ইয়ারফোন খারাপ হলে নির্দিষ্ট মডেলের সঠিক ইয়ারফোন কিনে তবেই ব্যবহার করুন।

একটানা ৩০ মিনিটের বেশি ইয়ারফোন বা হেডফোন ব্যবহার করবেন না। মোবাইলে কোনো সিনেমা দেখতে হলে ৩০-৪০ মিনিট পর পর ৫ মিনিট বিরতি নিন। এই মিনিট খানেক শ্রবণইন্দ্রিয়কে বিশ্রাম দিন।

বাসে বা বাইরে বসে গান না শুনে কোনো এক জায়গায় বসে শুনুন। রাস্তায় হাঁটার সময় বা পার হওয়ার সময় কখনোই হেডফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহার করবেন না। গাড়ি বা বাইক চালানোর সময় কানে ইয়ারফোন লাগাবেন না। কারণ, এর ফলে আসে পাশের গাড়ির হর্ন আপনি শুনতে পাবেন না। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।

হেডফোন বা ইয়ারফোনে কখনোই সর্বোচ্চ ভলিয়্যুমে কিছু শুনবেন না। এতে কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইয়ারফোনের মাধ্যমে এই শব্দ সরাসরি কানে প্রবেশ করে। তাই এ বিষয়ে বিশেষ ভাবে সচেতন থাকা জরুরি। প্রতিটি ফোনেই হেডফোনের ভলিয়্যুমের শ্রবণযোগ্য মাত্রা নির্দেশ করা থাকে। সেই নির্দেশ মেনে চলুন।

Advertisements
mm

Rony

যা জানি তা জানাতে চাই ☺

Add comment

Your Header Sidebar area is currently empty. Hurry up and add some widgets.